ব্রেকিং নিউজ! সাত জনের বোলিং অ্যাকশন অবৈধ! তারা কে কে জানুন…


বোলিং অ্যাকশনে এর চিত্র ফলাফল


টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ চলাকালীন সময়ে বোলিং অ্যাকশনে ত্রুটি ধরা পড়ে আরাফাত সানি এবং তাসকিন আহমেদের। এরপরই নড়েচড়ে বসে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। যার ফলশ্রুতিতে ঘরোয়া ক্রিকেটের প্রাথমিক পর্যায় থেকেই বোলারদের এই ধরনের কোন সমস্যা থাকলে তা শনাক্ত করে পদক্ষেপ নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয় বিসিবি।
এরই পরিপ্রেক্ষিতে গেল ২২ এপ্রিল থেকে শুরু হওয়া ঢাকা প্রিমিয়ার ডিভিশন ক্রিকেট লিগে চোখ রাখে বিসিবি। প্রিমিয়ার লিগের প্রথম দিনেই সন্দেহজনক বোলিং অ্যাকশনের তালিকায় নাম আসে চারজন বোলারের। আম্পায়াররা একে একে লিগে মোট ১১ জন বোলারের বোলিং অ্যাকশন নিয়ে রিপোর্ট জমা দেয় বিসিবিতে।
এরপর বিসিবির গঠিত বোলিং অ্যাকশন রিভিউ কিমিটি জাতীয় দলের ক্রিকেটার আরাফাত সানিকে ছাড়া ১০ বোলারের ফুটেজ সংগ্রহ করে। এরপর দীর্ঘ যাচাই-বাছাইয়ের শেষে সোমবার তারা চূড়ান্ত করে বৈধ ও অবৈধ বোলারদের তালিকা। যেখানে সাতজন বোলারের বোলিং অবৈধ বলে জানানো হয়েছে।
তবে এখনই তাদের নাম প্রকাশ করতে রাজি নয় রিভিউ কমিটি। আগামীকাল সংবাদ মাধ্যমে নাম প্রকাশ করা হবে বলে জানিয়েছেন কমিটির প্রধান ও বিসিবির মিডিয়া বিভাগের চেয়ারম্যান জালাল ইউনুস।
বললেন, ‘আসলে এত স্বল্প প্রযুক্তিগত সুবিধা নিয়ে এতো দ্রুত বৈধ-অবৈধ নির্ণয় করা কঠিন বিষয়। এরপরও আমরা প্রত্যেকের ফুটেজ বারবার দেখছি। বিভিন্ন দিক থেকে তাদের অ্যাকশন দেখা হয়েছে। এদের মধ্যে আমরা তিনজনকে পেয়েছি যাদের অ্যাকশন বৈধ মনে হয়েছে। আর বাকি সাতজন আছে যাদের অ্যাকশন বৈধ নয়। তবে এদের মধ্যে ২-৩ জনের সমস্যা খুব একটা বেশি নয় বলে আমাদের মনে হয়েছে। আমরা আগামী ১৬ তারিখ আরো একবার যাচাই-বাছাই করে তালিকাটা প্রকাশ করতে পারবো। তালিকা প্রকাশের পরই যারা অবৈধ তাদের নিয়ে কাজ শুরু করবো।’
একটি সূত্রে জানা গেছে, লিজেন্ডস অব রূপগঞ্জের হয়ে খেলা স্পিনার আসিফ আহমেদ রাতুল, গাজী গ্রুপ ক্রিকেটার্সের স্পিনার মইনুল ইসলাম ও মোহামেডান ক্লাবের স্পিনার নাঈম ইসলাম জুনিয়র রয়েছেন সম্ভাব্য বৈধদের তালিকাতে। সূত্রটি জানায়, এই তিনজনের অ্যাকশনে তেমন কোনো ত্রুটি পাওয়া যায়নি।
এই তিনজনকে বাদ দিলে যারা থাকেন তারা হলেন, মুস্তাফিজুর রহমান (গাজী গ্রুপ ক্রিকেটার্স), অমিত কুমার নয়ন (আবাহনী), রেজাউল করিম (প্রাইম দোলেশ্বর), মোহাম্মদ শরিফুল্লাহ (কলাবাগান ক্রীড়া চক্র), নাঈম ইসলাম (মোহামেডান), ফয়সাল হোসেন ডিকেন্স (মোহামেডান), সঞ্জিত সাহা (ব্রাদার্স ইউনিয়ন) ও মোহাম্মদ সাইফুদ্দিন (সিসিএস)।

Share this

Related Posts

Previous
Next Post »

Popular Posts