Showing posts with label ত্বকের যত্ন. Show all posts
Showing posts with label ত্বকের যত্ন. Show all posts
শীত পেরিয়ে আবার গরম দেখে নিন এই গ্রমে কিভাবে করেবেন আপনার ত্বকের যত্ন

শীত পেরিয়ে আবার গরম দেখে নিন এই গ্রমে কিভাবে করেবেন আপনার ত্বকের যত্ন


গরমে ত্বকের যত্ন, এগুলো ভুলেও ভুলবেন না !


আবার এসে গেছে ভ্যাপসা গরম। চারদিকে ত্রাহি ত্রাহি রব শুরু হল বলে। কিন্তু, তাই বলে ত্বকের অযত্ন করলে তো আর চলবে না। গরমেও আপনাকে তরতাজা রাখতে রইল কিছু টিপস।
গরমে ত্বকের যত্ন-
১) ঘামে শরীর থেকে প্রচুর পরিমাণে জল বেরিয়ে যায়। দেহে জলের ঘাটতি মেটাতে প্রচুর জল ও ঠান্ডা পানীয় যেমন ফ্রেশ লাইম, ফ্রুট জুস খান
২) বেলা ১১টা থেকে ৩টে, বাইরে বেরোলে সানস্ক্রিন মাস্ট।
৩) ত্বক ঠান্ডা রাখতে নিয়মিত ব্যবহার করুন টোনার। গোলাপ জল বা প্যাপায়া ওয়াটার ব্যবহার করতে পারেন।

৪) ত্বকে জলের ভারসাম্য বজায় রাখতে ওয়াটার বেসড ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করুন
৫) ট্যান তুলতে দই ও লেবুর রসের মিশ্রণ ব্যবহার করুন।
৬) দিনে ২ বার ফেসওয়াশ করুন। দুদিনে একবার স্ক্রাব করুন। বাজার থেকে ভালো কম্পানির স্ক্রাবার কিনুন। বা বাড়িতেই বানিয়ে নিন ময়দা, হলুদ, গোলাপ জল, দই বা দুধ দিয়ে।
৭) ত্বকে ঔজ্জ্বল্য আনতে পাকা পেঁপে, মধু ও ডিমের সাদা অংশের একটা মিশ্রণ বানিয়ে ১৫ মিনিট লাগিয়ে রাখুন।

৮) ত্বক ঠান্ডা রাখতে দইয়ের সঙ্গে শশার পেস্ট মিশিয়ে ১৫ মিনিট লাগিয়ে রাখুন। তারপর ঠান্ডা জলে ধুয়ে ফেলুন।
৯) ব্যালান্সড ডায়েট, রোজ ৪৫ মিনিট এক্সারসাইজ ও সঙ্গে ৭-৮ ঘণ্টা ঘুম। গরমেও আপনি থাকবেন তরতাজা।
গরমে কাবু না হয়ে গরমকে কাবু বানান

গরমে কাবু না হয়ে গরমকে কাবু বানান




গরম পড়ে গেল। কিন্তু, তাই বলে ঘরে বসে থাকলে তো আর চলবে না। পড়ুয়াদের স্কুল-কলেজেও যেতে হবে। আর কর্মজীবীদের অফিস ও অন্যান্য কর্মস্থলে। কারোর কারোর এই গরমেও, কাজের প্রয়োজনে সারাদিনটা কেটে যায় ঘুরে ঘুরেই। গরমকে মোকাবিলা করতে ব্যাগে তাই এই জিনিসগুলো রাখতেই হচ্ছে-
১) জলের বোতল- সানস্ট্রোক এড়াতে রাস্তায় বেরিয়ে প্রতি আধঘণ্টা অন্তর জল খাওয়া মাস্ট। তাই ব্যাগে যেন সবসময় থাকে জলের বোতল।
২) গ্লুকোজ- ঘামে শরীর থেকে প্রচুর পরিমাণে নুন-চিনি বেরিয়ে যায়। তাই ব্যাগে গ্লুকোজ ট্যাবলেট ও ছোটো গ্লুকন-ডি প্যাকেট রাখলে ভালো।
৩) সানস্ক্রিন- বেশিক্ষণের জন্য বাইরে বেরোলে ব্যাগে সবসময় ভালো কম্পানির SPF 30 বা 40 সানস্ক্রিন রাখা উচিত। রাস্তাতেও মাঝে মাঝে চোখমুখে জলের ঝাপটা দিয়ে লাগিয়ে নিন সানস্ক্রিন।
৪) SPF  লিপ বাম- UV রশ্মির হাত থেকে আপনার পেলব ঠোঁট দুটোকে বাঁচিয়ে রাখতে রাস্তায় মাঝে মাঝেই ব্যবহার করুন SPF  লিপ বাম।

৫) সানগ্লাস- রোদে সানগ্লাস মাস্ট। চোখ তাপের হাত থেকে বাঁচবে। ভালো কম্পানির সানগ্লাস কিনে ব্যাগে রাখুন।
৬) চিরুনি, গার্ডার, ক্যাচার- গরমে লম্বা চুলে খুব মুশকিল। ব্যাগে রাখুন চিরুনি, গার্ডার বা ক্যাচার। অবসরে চুলটা আঁচড়ে টাইট করে গার্ডার বা ক্যাচার লাগিয়ে নিন। আরাম পাবেন।
৭) ফেসিয়াল ওয়াইপস- ময়েশ্চারাইজড টিস্যু পেপার আপনাকে ঝটিতি ফ্রেশ লুক দেবে। ব্যাগে রাখুন ময়েশ্চারাইজড টিস্যু বা ফেসিয়াল ওয়াইপস। ক্লান্ত লাগলে মুখটা টিস্যু পেপার দিয়ে মুছে নিন।
৮) কমপ্যাক্ট পাউডার- নিজেকে ফ্রেশ করতে ব্যাগে থাকুক কমপ্যাক্ট পাউডার। টিস্যু পেপার দিয়ে মুখ মোছার পর বুলিয়ে নিন কমপ্যাক্ট পাউডার। ব্যস, কে বলবে আপনি গরমে কাহিল!
৯) ডিওডোরান্ট বা পারফিউম- গায়ে ঘামের গন্ধ হলে, কেউ কাছে ঘেঁষবে না। ব্যাগে তাই মনে করে ছোটো ডিওডোরান্ট বা পারফিউম রাখা চাই-ই-চাই।
১০) হ্যান্ড স্যানিটাইজার- গরমে ব্যাকটেরিয়া, ভাইরাসরা সক্রিয় হয়ে ওঠে। তাই কিছু খাওয়ার আগে মনে করে ব্যাগ থেকে হ্যান্ড স্যানিটাইজারটা বার করে হাতে লাগিয়ে নিন।

১১) হ্যান্ড টাওয়েল- রুমাল তো আপনার সঙ্গে থাকেই। গরমের কটাদিন আপনার সঙ্গে থাকুক হ্যান্ড টাওয়েলও। বিপদে কাজে আসবে।
১২) ছাতা- শেষ এবং অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ। ব্যাগে ছাতা যেন অবশ্যই থাকে। রোদে ছাতা ছাড়া খালি মাথায় কখনও নয়। নইলে সানস্ট্রোক অবধারিত!
টমেটো দিয়ে করুন রূপচর্চা

টমেটো দিয়ে করুন রূপচর্চা




টমেটোতে বিভিন্ন ভিটামিন এবং এনজাইম রয়েছে যা স্বাস্থ্যের জন্য যতটা গুরুত্বপূর্ণ তার চেয়েও অনেক বেশি উপকারী সুন্দর আর মোলায়েম ত্বকের জন্য। জেনে নিন রূপচর্চায় টমেটোর কিছু ব্যবহার-
*অ্যান্টি অক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ টমেটো দাগমুক্ত ত্বকের জন্য বেশ উপকারী। এর জন্য আপনি যেভাবে ব্যবহার করবেন-
২ কাপ পানিতে ২টি টমেটো এবং ২ চা চামচ মধুর একটি মিশ্রণ তৈরি করুন। তৈরি মিশ্রণটি প্রতিদিন সকালে খালি পেটে খেয়ে ফেলুন। মিশ্রণটি খাওয়ার ৩০-৪০ মিনিট পর সকালের নাস্তা করুন।
*তারুণ্য ধরে রাখতেও বহু গুণ সম্পন্ন এই টমেটো বেশ সহায়তা করে। সালাদের জন্য কাটা টমেটো থেকে দুই ফালি টমেটো মুখেও ঘষুন। এর জন্য প্রথমে হালকা সাবান দিয়ে মুখ ধুয়ে নিন এবং তোয়ালে দিয়ে মুখ মুছে নিন। এরপর ফালি করা টমেটো ১০ মিনিট মুখে ঘষে তা ১৫ মিনিট পরে ধুয়ে ফেলুন।
*ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়াতে দই, হলুদ এবং টমেটোর একটি মিশ্রণ প্রতিদিন সকালে মুখে লাগাতে পারেন। এতে করে মুখে থাকা যেকোনো দাগ নির্মূল করে ত্বককে উজ্জ্বল দেখাতে সহায়তা করবে।
*অনেক সময় দেখা যায় যে মাথার ত্বকে থাকা বিভিন্ন ধূলোবালি এবং ময়লার কারণে দুর্গন্ধ ও অপরিস্কার হয়ে যায় যা সাবান বা শ্যাম্পু কিছুতেই যেতে চায় না। এমন পরিস্থিতিতে টমেটো দিয়ে তৈরি একটি মিশ্রণ ব্যবহার করতে পারেন। এতে কওে পরিস্কার ও দুর্গন্ধমুক্ত হবে আপনার মাথার ত্বকটি।
*মসৃণ আর মোলায়েম ত্বকের জন্য টমোটো অত্যন্ত উপকারী একটি ফল। প্রতিদিন নিয়ম করে টমেটো খেলে স্বাস্থ্যকর একটি মসৃণ ত্বক পাওয়া সম্ভব যা দামী প্রসাধনী ব্যবহারেও সম্ভব না।
এখন আপেল দিয়ে নিজেই তৈরি করুন নিজের নাইট ক্রিম

এখন আপেল দিয়ে নিজেই তৈরি করুন নিজের নাইট ক্রিম


stylezonebd.blogspot.com


রূপচর্চায় প্রাকৃতিক উপাদানের জুড়ি নেই। আমাদের শরীরের সবচাইতে স্পর্শকাতর অংশ হল ত্বক। রাসায়নিক উপাদান ব্যবহার যত কম করা যায় ততই ত্বক ভালো থাকবে। আর নাইট ক্রিম যেহেতু সারা রাত ত্বকে দিয়ে রাখতে হয়, তাই সেটা প্রাকৃতিক হওয়াই ভালো।
অনেকেই কোন নাইট ক্রিম ব্যবহার করবেন তা বুঝে উঠতে পারেন না। আসুন দেখে নেওয়া যাক বাসায় থাকা খুব সাধারণ কিছু উপকরণ দিয়ে স্পর্শকাতর ত্বকের জন্য কিভাবে চমৎকার একটা নাইট ক্রিম বানিয়ে ফেলা যায়! ত্বক ভালো থাকার পাশাপাশি এই ক্রিম আপনার খরচও কমিয়ে দেবে, আর আপেল ব্যবহার করার ফলে একই সাথে অ্যান্টি-এজিং ক্রিমেরও কাজ করবে।
আপেল নাইট ক্রিম তৈরি করতে লাগবে মাত্র ৩টি ঘরোয়া উপাদান –
১. একটা তাজা আপেল।
২. আধা কাপ জলপাই তেল।
৩. আধা কাপ গোলাপ জল। গোলাপ ঘরে বানানোর উপায় জানতে এখানে ক্লিক করুন
প্রস্তুত প্রণালী –
• প্রথমে আপেলটাকে ধুয়ে কুঁচি করে কাটুন। খোসা রাখুন কিন্তু বীজ এবং মাঝের অংশ ফেলে দিন। এরপর গোলাপ জল ও অলিভ অয়েল মিশিয়ে ব্লেন্ডারে দিয়ে মিহি করে নিন যাতে ঘন একটা পেস্টের মত হয়। খুবই মসৃণ ঘন পেস্ট।
• একটা পাত্রে পানি গরম করুন। পানি ফুটে উঠলে পানির ওপরে আরেকটি পাত্রে এই মিশ্রণটি রেখে গরম করুন। অনেকটা চকলেট যেভাবে গলান, সেভাবে। মিশ্রণটি ভাল মতন গরম হবে, তবে খেয়াল রাখবেন একেবারে উত্তপ্ত যেন হয়ে না ওঠে। মিশ্রণটা বেশ ঘন হয়ে আসবে।
• মিশ্রণটিকে ভালোভাবে নেড়ে ঠাণ্ডা করুন।
• কৌটায় ভরে ফ্রিজে রেখে ব্যবহার করুন।
উপকারিতা –
• কাঁচা আপেলে ম্যালিক এসিড থাকে যা ত্বককে একই সাথে কোমল এবং টানটান করে। অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ত্বকের বুড়িয়ে যাওয়া কমায়।
• জলপাই তেল ময়েশ্চারাইজারের কাজ করে। খুব শুষ্ক ত্বককেও সজীব করে তোলে। ত্বকের ক্ষতি মেরামত ত্বরান্বিত করে।
• গোলাপ জল টোনারের কাজ করে। সারাদিন ত্বকে জমে থাকা ময়লা দূর করে। ত্বকের রোমকূপ খুলে দেয়। রোদে পোড়া ভাব কমায়।
ত্বকের দাগকে বলুন চিরবিদায় ১টি মাত্র প্যাক ব্যবহার করে!

ত্বকের দাগকে বলুন চিরবিদায় ১টি মাত্র প্যাক ব্যবহার করে!




ত্বকের সবচেয়ে বিরক্তিকর সমস্যাটি হল কালো দাগ বা ব্লেমিশ। ব্রণ, সা্নবার্ন বিভিন্ন কারণে ত্বকে কালো দাগ পড়তে পারে। মুখের কালো দাগ ত্বকের সৌন্দর্য হানি করে দেওয়ার জন্য দায়ী। বাজার ঘুরলে অনেক নামী দামী ক্রিম পাওয়া যাবে যা ত্বকের কালো দাগ দূর করে থাকে। কিন্তু খুব বেশি ক্রিম ব্যবহারে ত্বকের উপর ক্ষতিকর প্রভাব ফেলে দিয়ে থাকে। ঘরোয়া উপায়ে ত্বকের কালো দাগ দূর করা সম্ভব। সহজ একটি ফেসপ্যাক ব্যবহার করে দূর করে ফেলুন ত্বকের কালো দাগ।
যা যা লাগবে:
১ চা চামচ টমেটোর পেস্ট
১ টেবিল চামচ মধু
১/২ চা চামচ লেবুর রস
যেভাবে তৈরি করবেন:
১। প্রথমে মুখটি পরিষ্কার করে নিন। তারপর একটি তোয়ালে দিয়ে মুখটি মুছে নিন।
২। টমেটোর পেস্ট, লেবুর রস এবং মধু ভাল করে মিশিয়ে নিন।
৩। এবার এই প্যাকটি আঙুল দিয়ে ম্যাসাজ করে ত্বকে লাগিয়ে নিন।

৪। ১০ মিনিট অপেক্ষা করুন।
৫। ১০ মিনিট পর শুকিয়ে গেলে কুসুম গরম পানি দিয়ে মুখটি হালকাভাবে ধুয়ে ফেলুন তারপর ঠান্ডা পানি দিয়ে মুখ ভাল করে ধুয়ে নিন।
কার্যকারিতার কারণ:
টমেটো:
টমেটোতে প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট উপাদান আছে যা ত্বকের বলিরেখা পড়া থেকে রক্ষা করে। এমনকি এটি ত্বকের কালো দাগ দূর করে উজ্জ্বলতা বৃদ্ধি করে থাকে।
মধু:
মধুর অ্যান্টি ব্যাকটেরিয়াল এবং অ্যান্টিসেপটিক উপাদান ত্বকের কোষগুলো ময়োশ্চারাইজ করে ত্বক নরম কোমল করে তোলে।
লেবুর রস:
লেবুতে প্রাকৃতিক ব্লিচিং উপাদান রয়েছে যা ত্বকের কালো দাগ দূর করে ত্বকের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধি করে থাকে।
টিপস:
১। এই প্যাকটি যখন ব্যবহার করবেন তখন তৈরি করে নেওয়া ভাল। তবে আপনি চাইলে বেশি করে তৈরি করে ফ্রিজে রেখে দিতে পারেন। তবে এক সপ্তাহের বেশি ফ্রিজে রাখা ভাল নয়।
২। এই প্যাক ব্যবহারের আগে ত্বকের পোরগুলো স্টিম করে খুলে নিন।
এখন ঘরে বসেই তৈরি করুন লিপবাম

এখন ঘরে বসেই তৈরি করুন লিপবাম




লিপবাম মনের মতো খুঁজে পাচ্ছেন না। একেবারে রঙবিহীন লিপবামও চাচ্ছেন না, আবার পছন্দের রঙটাও মেলাতে পারছেন না বাজারের লিপবামগুলোতে। তবে বানিয়ে নেয়ার কথা ভাবছেন না কেনো? আবার হয়তো লিপস্টিক জমে আছে প্রসাধনীর টেবিলে। দেয়া হয় না তেমন একটা। বরং লিপবামে স্বস্তি পান আপনি। সেক্ষেত্রে লিপস্টিকের জায়গায় লিপবাম বানিয়ে নেয়াটা কেমন হয়, ভাবুন তো?
খুব সহজেই নিজের হাতে বানিয়ে নেয়া যায়, এমন একটি জিনিষ হলো এই লিপবাম এবং বাড়তি কোন ঝামেলাও নেয়া লাগবে না এর জন্য। হয়তো যা যা প্রয়োজন তার সবকিছু আপনার ঘরে আগে থেকেই রয়েছে। কেবল একটুখানি সময় বরাদ্দ করুন এই কাজে, আর হাত-পা ঝেড়ে কাজে লেগে পড়ুন!


 MUA-Makeup-Academy-Love-Heart-Lip-Balm-Hot-Lips
যা যা লাগছে-
  • ব্যবহৃত রঙ হিসেবে লিপস্টিক বা কালারড চ্যাপস্টিক
  • ভ্যাসলিন
  • নারকেল/জলপাই/আমন্ড তেল
  • সংরক্ষণের কৌটো
  • মিশ্রণ গলানোর উপযোগী পাত্র
এবার জেনে নেয়া যাক কী করে বানাবেন আপনার লিপবাম-
লিপবামে রঙ কেমন চাচ্ছেন, হালকা না গাঢ় তা আপনার পছন্দ মতো ঠিক করে নিন। কেননা রঙ সে অনুপাতে মেশাতে হবে। কোন লিপস্টিকের পুরোটাই মিলিয়ে দেবেন নাকি খানিকটা নেবেন, তা আপনার পছন্দ মতন হবে অবশ্যই।
যতোটুক তৈরি করতে চাচ্ছেন সেই পরিমাণে ভ্যাসলিন নিন। নারকেল বা জলপাই তেল ইচ্ছে হলে মিশিয়ে নিন ভ্যাসলিনের সাথে। ঠোঁটের যত্নে উপকারী, তাই খানিকটা তেল থাকতেই পারে আপনার লিপবামে।
লিপস্টিক কেটে নিন যতোটা লাগবে লিপবামে। বলাই বাহুল্য, লিপবামের রঙ হালকা হলে অল্প পরিমাণে লিপস্টিক নেবেন আর রঙ গাঢ় করতে চাইলে লিপস্টিক বেশি নেবেন।
যে পাত্রে নিয়ে চুলায় গলতে দেবেন মিশ্রণটা তাতে সবকিছুই একেবারে দিয়ে দিন। এবারে ভালো মতন অল্প আঁচে গলিয়ে নিন লিপবাম।
গলানো হয়ে গেলে কৌটোয় ঢেলে রাখুন। ঠান্ডা হবার জন্য একটু সময় দিন। তারপর দিন দুয়েক ফ্রিজে রাখুন কৌটোটা যাতে বাম ভালো করে জমতে পারে। আপনার নিজের বানানো লিপবাম ব্যবহারের জন্য পুরো তৈরি এবার!
ব্রন এর সমস্যা শেষ করুন নিমিষেই

ব্রন এর সমস্যা শেষ করুন নিমিষেই


মননে মিথস্ক্রিয়া ছাড়াও এই সময়ে দেখা যায় শারীরিক নানা পরিবর্তন। বয়:সন্ধির পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে শিকার হতে হয় কিছু সমস্যারও। তেমন এক সমস্যা হল মুখে ব্রণ এবং ব্রণের দাগের সমস্যা। এই সময়ে মুখে ব্রণের অত্যাচার থেকে রেহায় পাবার জন্য রইল কিছু দিকনির্দেশনা।

পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন থাকা
মুখে ব্রণ থাকুক আর না থাকুক দিনে অন্তত দুইবার মুখ পরিষ্কার করা উচিত। এতে মৃত কোষ ও অতিরিক্ত তেল পরিষ্কার হয়ে যায়। হাল্কা গরম পানি ও মাইল্ড ফেসওয়াশের সাহায্যে মুখ ধুয়ে নিতে পারে কিশোর-কিশোরীরা। মুখে অতিরিক্ত সুগন্ধীযুক্ত ও ক্ষারযুক্ত সাবান ব্যবহার এড়িয়ে চলতে হবে। কারণ এতে ত্বক শুষ্ক হয়ে যেতে পারে।

নিয়মিত ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার
সাধারণত যে ধরনের প্রসাধনী ব্যবহার করা হয় তার অধিকাংশই আমাদের ত্বক শুষ্ক করে ফেলে। এই শুষ্কতা কমানোর জন্য নিয়মিত ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করা উচিত। বাজারে তৈলাক্ত, শুষ্ক ও মিশ্র ত্বকের জন্য আলাদা আলাদা ময়েশ্চারাইজার পাওয়া যায়। ত্বক অনুযায়ী সেখান থেকে ময়েশ্চারাইজার বেছে নিয়ে ব্যবহার করতে হবে।

সাজসজ্জা পরিমিত
ত্বকে ব্রণ থাকলে সাজসজ্জা যত কম ব্যবহার করা যায় ততই ভালো। ফাউন্ডেশন, পাউডার ও ব্লাশন কম ব্যবহার করা উচিত। আর যদি ব্যবহার করতেই হয় তাহলে অবশ্যই দিনের শেষে তা ভালোভাবে তুলে ফেলতে হবে। যদি সম্ভব হয় তবে তেল, রঙ ও রাসায়নিক উপাদান মুক্ত প্রসাধনী ব্যবহার করুন। তাই প্রসাধনী কেনার আগে অবশ্যই পণ্যের গায়ের লেবেল ভালোভাবে পড়ে নেওয়া উচিত।

জড়িত চুল?
মাথার চুলে সুগন্ধি তেল, পমেড বা জেল লাগান ঠিক নয়। কারণ এইসব উপাদান যদি কোনোভাবে মুখে লাগে তবে তা অনেক সময় লোমকূপ বন্ধ করে দিতে পারে, যা ত্বকের জন্য ক্ষতিকর। তৈলাক্ত চুল থেকে তেল অনেক সময় মুখে লাগে যার কারণে ব্রণ হতে পারে। তাই চুল পরিষ্কার রাখা প্রয়োজন। আর যদি লম্বা চুলের অধিকারী হন তবে সবসময় মুখের ওপর থেকে চুল সরিয়ে রাখুন।

মুখে হাত নয়
যতটা সম্ভব মুখে হাত কম লাগানোর অভ্যাস করতে হবে। কারণ আমাদের হাতে নানান রকম ময়লা ও জীবাণু থাকে। এই হাত মুখে লাগানোর সঙ্গে সঙ্গে মুখের ত্বক জীবাণুর মাধ্যমে আক্রান্ত হয়। ফলে ব্যাকটেরিয়া বৃদ্ধি পেয়ে ব্রণের সৃষ্টি হয়। মুখে ব্রণ হলে কখনো তা হাত দিয়ে ফাটান উচিত না। এতে ইনফেকশন হওয়ার সম্ভবনা বেড়ে যায়।

এড়িয়ে চলি রোদ
সূর্যের অতি বেগুনি রশ্মি ত্বকের জন্য ক্ষতিকর। এর কারণে ত্বক পুড়ে যেতে পারে ও লালচে ভাব হতে পারে। তীব্র সূর্য রশ্মির ফলে ত্বকে অতিরিক্ত ব্রণ হয়। সাধারণত সকাল ১০টা থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত রোদের তাপ থেকে দূরে থাকা ভালো। এক্ষেত্রে বড় হাতার পোশাক, ছাতা বা টুপি ব্যবহার করা যেতে পারে। অন্যদিকে, ব্রণ থাকুক আর না থাকুক নিয়মিত এসপিএফ ৩০ বা এর বেশি মাত্রার সানস্ক্রিন ব্যবহার করা প্রয়োজন। সানস্ক্রিন ব্যবহারের ক্ষেত্রে বাইরে যাওয়ার অন্তত পক্ষে ২০ মিনিট আগে তা লাগাতে হবে।

খাবার খাই বুঝেশুনে
অধিকাংশ বিশেষজ্ঞ মনে করেন, কিছু কিছু খাদ্য আছে যা ত্বকে ব্রণ হওয়া থেকে রক্ষা করে। এর মধ্যে চকোলেট অন্যতম। অন্যদিকে, তেল�চর্বি সমৃদ্ধ খাবার বা জাঙ্কফুড ত্বকে ব্রণের সৃষ্টি করে। তাই প্রতিদিনের খাদ্য তালিকায় তাজা ফল ও সবজি সঙ্গে আঁশযুক্ত খাবার রাখা উচিত।

সুস্থ দেহ
ব্যয়াম করা শুধু শরীরের পক্ষেই ভালো নয়, ত্বকের জন্যেও ভালো। নিয়মিত রক্ত সঞ্চালনে সুস্থ থাকবে আপনার শরীর। সুস্থ থাকবে ত্বক। তবে শরীরচর্চার ক্ষেত্রে অল্প কাপড় পরুন এবং যন্ত্রপাতি কম ব্যবহার করুন। এইগুলোর সঙ্গে ত্বকের ঘর্ষণে জ্বালাপোড়া হতে পারে। ব্যয়াম করার পর ভালোভাবে গোসল করুন।

ফুরফুরে মন
অতিরিক্ত মানসিক চাপ, হতাশা ও দুশ্চিন্তা ব্রণের জন্ম দেয়। তাই যতটা সম্ভব মনে প্রফুল্লতা রাখা ভালো। অনর্থক মন খারাপ করে থাকা নয়, সদা প্রফুল্ল থাকা কিশোর-কিশোরীকে দিবে ব্রণমুক্ত ত্বক।।

হাতের নাগালে চিকিৎসা
কোনোভাবেই যখন কিশোর-কিশোরীরে বাগে আনতে পারছে না ব্রণকে তখন অভিভাবকরা স্মরণাপন্ন হতে পারেন ডাক্তারের। বাজারে নানান রকমের ব্রণ কমানোর ওষুধ পাওয়া যায়। তবে যে কোনো ওষুধ ব্যবহারের আগে ডাক্তারের পরামর্শ নেওয়া উচিত। এই ধরনের ওষুধে রয়েছে বেঞ্জয়েল পারক্সাইড, স্যালিসাইক্লিক এসিড, গ্লাইকোলিক এসিড ও ল্যাক্টিক এসিড যা ত্বকের ব্রণ কমাতে সাহায্য করে।

Popular Posts