মিরপুরে ইংল্যান্ডের সাথে সিরিজের প্রথম ওয়ানডে ২১ রানে হেরে বসেছে টাইগাররা। টস জিতে ব্যাটিং নিয়ে জেসন রয় ও ভিন্স শুভ সূচনা করেন। তাদের ৪১ রানের জুটি ভাঙেন শফিউল ইসলাম। তারপর ৬১ ও ৬৩ রানে পরপর দুই উইকেট হারিয়ে বিপাকে পরে সফরকারীরা। অভিষিক্ত ডাকেটকে সাথে নিয়ে ১৫৩ রানের জুটি করেন বেন স্টোকস। তুলে নেন নিজের ক্যারিয়ারের প্রথম সেঞ্চুরি। ১০০ বলে ১০১ রান করার সময় চার বাউন্ডারির সাথে হাঁকান ৪টি ছয়।
৬৯ ও ৭১ রানে স্টোকসের ক্যাচ ছাড়েন টাইগার ফিল্ডাররা। এরপর শেষদিকে অধিনায়ক বাটলারের ৩৮ বলে ৬৩ রানের ইনিংসে ৩০৯ রানের পুঁজি পায় ইংলিশরা। বাটলার মারেন ৩ চার ও ৬ ছক্কা। বাংলাদেশের হয়ে মাশরাফি , শফিউল ও সাকিব নেন দুটি করে উইকেট।
জবাবে ব্যাট করতে নেমে ধীরে সুস্থে শুরু করে বাংলাদেশ। ৪৬ রানের ওপেনিং জুটির পর সাজঘরে ফেরেন তামিম। তারপর একপ্রান্ত আগলে রেখে সাব্বির ও মাহমুদুল্লাহর সাথে ছোট ছোট দুটি জুটি গড়েন কায়েস। সাব্বির ও মাহমুদুল্লাহ দুজন করেন যথাক্রমে ১৮ ও ২৫। স্লগ সুইপ খেলতে গিয়ে আউটফিল্ডে তালুবন্দি হন মি ডিপেন্ডেবল মুশফিক।
১৫৩ রানে ৪ উইকেট হারিয়ে বিপাকে পরে টিম টাইগার্স। সেখান থেকে জয়ের বন্দরে নোঙর ফেলার জন্য সওয়ার হন সাকিব আর কায়েস। ইংলিশদের সাথে বরাবরই ভাল খেলা কায়েস তুলে নেন নিজের শতক। অর্ধশতক তুলে নেন সাকিব।
২৭১ রানে ৪ উইকেট থেকে শুরু হয় ছন্দ পতন। ৫৫ বলে ৭৯ রানের ঝড়ো ইনিংস খেলে আদিল রশিদের বলে আউট হন সাকিব। ১০ চারের সাথে ১ ছক্কায় সাজানো ইনিংসটিই জয়ের বন্দরে প্রায় পৌঁছে দিয়েছিল বাংলাদেশকে। কিন্তু পরের বলেই সাকিবের পথ অনুসরণ করেন মোসাদ্দেক। এরপরের ওভারে মাশরাফি ফিরে গেলে ২৭৪ রানে ৭ উইকেট হয়ে যায় টাইগাররা। আদিল রশিদের স্পিন ফাঁদে পা দেন ৪ টাইগার। আর অভিষিক্ত বলের শিকার ৫ উইকেট।
সাকিবের ফেরার পর কায়েস সাজঘরের পথ ধরলে ২৮৮ রানেই তল্পিতল্পা গুছিয়ে মাঠ ছাড়ে স্বাগতিকরা। ম্যাচ সেরা হন পাঁচ উইকেট নেয়া জেক বল।

